bedsheets
ক্লাস সেভেন পর্যন্ত আম্মা আমারে প্রতিদিন ১০ টাকা করে দিতো। এরপর সেভেনে উঠে আমি স্ট্রাইক করা শুরু করি কারণ আমার স্কুলের ক্যান্টিনের বার্গারের দাম ছিলো ১৫ টাকা। এরপর আম্মা প্রতিদিন ২০ টাকা করে দেয়া শুরু করে। মোটামুটি ক্লাস টেন পর্যন্ত আমার স্ট্রাইক করতে হয় টাকা পয়সার জন্য। তারপর আম্মাকে অনেকভাবে পটাই বুঝাই যে, আমি এখন বড় হইছি একটু টাকা বাড়াই দাও। বিষয়টা এমন না যে, আমার মা বাবা অনেক গরীব। কিন্তু আম্মার এক থিওরি, কষ্ট করে বড় হইলে নাকি জীবনে উন্নতি করা যায়।
জীবনে কতটুকু উন্নতি করতে পারছি জানি না, তবে একটা বিষয় শিখছি। এখন চাইলে একটাকা খরচ না করেও দিন চলতে পারি আবার মন চাইলে ৫০০ টাকা এক বসায় খেয়ে চলে আসি।
আমরাই হয়তো শেষ জেনেরেশন যাদের এই ১০ টাকা ২০ টাকার গল্প থাকবে। পরবর্তী জেনেরেশন এসব শুনলে হয়তো কখনোই বিশ্বাস করতে চাইবে না। বিশ্বাস করুক আর না করুক, এইযে মা বাপরে মানাই ১০ টাকা থেকে ২০ টাকা নেয়ার যে প্রশান্তি না এটা এখনকার বাচ্ছাকাচ্ছারা আর পাবে না। আমাদের মা বাবা আমাদের কষ্ট দেয়নি কিন্তু কষ্ট করে বড় হয়া শিখিয়েছে।
Mother daughter online shop
কিং সাইজ বেডসিট
৭/৮ ফুট
১ টি বেডসিট ২ বালিশের কাভার সেলাই করা।
পছন্দ হলে জলদি অর্ডার করে ফেলো বন্ধুরা।






Comments
Post a Comment